যুগবীক্ষণ ডিজিটাল নিউজ ব্যুরো :
A Report by : Tista Mondal ●Digital Arrangement : Laboni De ●Graphix : IJMC

কলকাতা,২৬মার্চ :
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।ফলে জ্বালানি নিয়ে আন্তর্জাতিক সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছিল। ব্যতিক্রম নয় ভারতও। গোটা দেশে জুড়ে বিশেষ করে রান্নার গ্যাস অর্থাৎ এলপিজি নিয়ে বিস্তর ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সাধারণ মানুষের এই ভয়, ভোগান্তির সুযোগ নিয়ে চলেছে কালোবাজারিরা। গ্যাসের এই অচল অবস্থাকে ঘিরে রান্নাঘরে দেখা গেছে বিপর্যয়। অনেক মন্দিরের ভোগও কাটছাঁট করতে হয়েছে বলে খবর । পরিবহনের ক্ষেত্রেও, যেগুলি বিশেষত গ্যাসের মাধ্যমে চলাচল করে সেগুলিতে দেখা গেছে ব্যাপক সমস্যা ,সারারাত ব্যাপী পেট্রল পাম্প গুলিতে দীর্ঘ লাইন।গ্যাসের তীব্র অকাল।। পাশাপাশি এই গ্যাস সঙ্কটকে ঘিরে বন্ধ হয়েছে দেশের একাধিক হোটেল- রেস্তোরাঁ। এই সমস্ত কিছুর সাথে সাথে প্রতিদিন তাল মিলিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এলপিজি সংক্রান্ত কিছু গুজব তথ্যও। সমস্ত কিছুর মধ্যে দিয়ে যে প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মনের মধ্যে ক্রমাগত উঠে আসছে তা হল, কবে অবসান ঘটবে এই সমস্যার?
অবশেষে হতে চলেছে সমস্যার সমাধান। ইরান হরমুজ প্রণালী ভারতের জাহাজের জন্য মুক্ত ঘোষণা করেছে। শুধু ভারতই নয় ভারতের পাশাপাশি রাশিয়া, চীন, ইরাক ও পাকিস্তানকেও এই সুবিধা দিতে চলেছে ইরান। ইরান এই পাঁচ দেশের জাহাজ নিরাপদে হরমুজ পারাপার করার জন্য সবুজ সংকেত দিয়েছে। ইরানের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিদেশ মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, “হরমুজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ নয়। আমরা যেসব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখি, তাদের জাহাজকে নিরাপদে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ভারত, রাশিয়া, চীন, ইরাক ও পাকিস্তান এর জাহাজ হরমুজ পারাপার করেছে। বাংলাদেশের একটি জাহাজও নিরাপদে পার হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।” তিনি আরও বলেন, “আমেরিকা ইজরাইল এবং উপসাগরীয় দেশের জাহাজ এই জলপথে চলাচল করতে পারবে না। এটি তাদের জন্য বিপদ। কিন্তু বন্ধু দেশগুলোর জন্য আমরা সুবিধা রেখেছি। আমরা চাই আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপদ যাতায়াত হোক।”
প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, বিগত কয়েক সপ্তাহে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন। এরই মাঝে বড় খবর ভারতের জন্য। মুম্বাইয়ে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেট জেনারেলও এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তাদের পোস্টে বলা হয়েছে, এই দেশগুলির জাহাজ নিরাপদে প্রণালী পারাপার করতে পারবে। কোনও সমস্যা হবে না।এবার সকলের নজর কত তাড়াতাড়ি দেশে তৈরী হওয়া জ্বালানি সংকট দূর করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা যায় সেই দিকে /