যুগবীক্ষণ ডিজিটাল নিউজ ব্যুরো:
রিপোর্ট : তিস্তা মন্ডল ● ডিজিটাল উপস্থাপনা : লাবনী দে

কলকাতা , ২১ নভেম্বর: শুক্রবার সকালে হঠাৎ কলকাতায় জোরালো কম্পন !শুধু কলকাতা নয় ,কম্পন অনুভূত হয়েছে জেলার বিভিন্ন প্রান্তেও। বাংলাদেশের নরসিংদী থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল।রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৭।
কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদেও অনুভূত হয়েছে মৃদু কম্পন। সকাল ১০টা ৮ মিনিট নাগাদ কম্পন শুরু হয়। বেশ কয়েক সেকেন্ড তা চলেছে। ঘরের মধ্যে পাখা, চেয়ার, টেবিল , দেওয়ালে টাঙানো ছবি দুলতে দেখা গিয়েছে।কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার – কম্পন অনুভূত হয়েছে সর্বত্রই। মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদেও। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কে অনেকে বাড়ি থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। তবে এখনও পর্যন্ত কোথাও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।
প্রসঙ্গত, মাসদুয়েক আগে অসমের ভূমিকম্পে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে উঠেছিল।এর মৃদু প্রভাব পড়েছিল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গেও সেই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল অসমের গুয়াহাটি এবং তেজপুরের মাঝে ওদালগুরি। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৮। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার গভীরে কম্পনটি হয়েছিল। তবে তাতে কলকাতায় এত জোরালো প্রভাব পড়েনি।
এদিকে জানা যাচ্ছে, এই ভূমিকম্পের জেরে একটি বিল্ডিংয়ের রেলিং ভেঙে ঢাকার বনশালে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে তিন জনের।ভূমিকম্প অনুভূত হতেই বাংলাদেশের বিভিন্ন কর্মস্থলে আতঙ্কে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। টঙ্গির বিসিক এলাকায় একটি পোশাকের কারখানায় কারখানা থেকে বার হতে গিয়েছে ধাক্কাধাক্কিতে আহত হন প্রায় ২০০ শ্রমিক। এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে বাংলাদেশের প্রশাসনের তরফে নির্দিষ্ট ভাবে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি। জানা গিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাগুলিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে প্রশাসন।