যুগবীক্ষণ ডিজিটাল নিউজ ব্যুরো:
রিপোর্ট : তিস্তা মন্ডল ● ডিজিটাল উপস্থাপনা : লাবনী দে

কলকাতা , ২৯ অক্টোবর:এ যেন বছর কয়েক আগের দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রিয় পার্ক সর্বজনীন দুর্গোৎসব।সেখানে টিজার ছিল ‘সবচেয়ে বড় দুর্গা ‘ উদ্দেশ্য ছিল, দর্শনার্থীদের চমক দেওয়া। এ বছর চন্দননগরেও কানাইলালপল্লির পুজোর ট্যাগলাইন ছিল ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় জগদ্ধাত্রী’।সব থেকে বড় দুর্গা দর্শন করতে সে বছর এত মানুষের ঢল নামে যে দর্শনার্থীদের জন্য সেই প্রতিমা দর্শন বন্ধ করে দিতে হয়।আর হুগলির চন্দননগরে সবচেয়ে বড় জগদ্ধাত্রীর সেই মণ্ডপই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে মঙ্গলবার বিকেলে। জখম হন বেশ কয়েক জন দর্শনার্থী।
এই বছর পুজোটি পা দিয়েছে ৫২ বছরে। থিমের ভিড়ে পুজোর বৈচিত্র আনতে ও চমক দিয়ে দর্শক টানতে চেয়েছিলেন আয়োজকেরা। তাই তৈরি করা হয়েছে প্রায় ৭৫ ফুট এমন এক ফাইবারের প্রতিমা, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। সাধারণত চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী প্রতিমার উচ্চতা থাকে আনুমানিক ২৫ থেকে ২৬ ফুটের মধ্যে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সপ্তমীতেই চন্দননগরে কানাইলালপল্লির পুজোমণ্ডপে বিশাল ভিড় হয়েছিল। এ বারে তাদের চমক ছিল ৭০ ফুটের পুজোমণ্ডপ। মণ্ডপের সামনে ফাইবারের জগদ্ধাত্রী তৈরী করা হয়েছিল। খুব বেশি উচ্চতা হওয়ায় বিকেলে হাওয়ার দমকে উল্টে পড়ে পুরো মণ্ডপটি। বাঁশ চাপা পড়ে জখম হন বেশ কয়েক জন। শুরু হয় হুড়োহুড়ি।মুহূর্তে অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোন পুলিশ আধিকারিকেরা এবং দমকল । আহত বেশ কয়েক জনকে উদ্ধার করে চন্দননগর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, মণ্ডপের উচ্চতা বেশি হওয়ায় হালকা হাওয়াতেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে গিয়েছে।
ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন চন্দননগর পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি । প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুজো কমিটিকে বলা হয়েছে, আগে প্যান্ডেলের কাঠামো ভাল করে খতিয়ে দেখতে হবে। তার পর দর্শনার্থীদের জন্য খোলা হবে। তবে পুজো বিঘ্নিত হবে না কোনো অবস্থাতেই ।