যুগবীক্ষণ ডিজিটাল নিউজ ব্যুরো :
●Report by : Tista Mondal
●Digital Editing : Laboni De
●Graphix : IJMC

কলকাতা,১১ এপ্রিল:বাংলায় জোর কদমে শুরু হয়ে গেছে ভোট যুদ্ধ। প্রচারের পাশাপাশি ইতিমধ্যেই প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা পর্ব সম্পন্ন হয়েছে। পূর্বেই বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে ইস্তেহার প্রকাশ করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবার তার পাল্টা হিসেবে শুক্রবার বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ করল বিজেপি। গেরুয়া শিবির ইস্তেহারকে ‘সংকল্প পত্র’ নামে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করেছে। শাসকদলের বিপরীতে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রাজ্যে পালাবদলের ডাক দিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ময়দানে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়ছে না গেরুয়া শিবির। সর্বত্রই পরিবর্তনের ডাক দিচ্ছে বিজেপি। ২৬ শে পালাবদল হলে বিজেপি সরকার গঠন হলে বাংলা কি কি পেতে চলেছে তা বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়েছে সংকল্পপত্রে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সাংবাদিক বৈঠকে বাংলার জন্য আগামী দিনের ইস্তেহার প্রকাশ করলেন এদিন।
●একনজরে দেখে নেওয়া যাক কি কি রয়েছে এই ‘সংকল্প পত্রে’:
১.বাংলায় অনুপ্রবেশ রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি গড়বে বিজেপি। এক্ষেত্রে ‘ডিটেক্ট- ডিলিট ও ডিপোর্ট’ নীতি গ্রহণের কথা জানিয়েছেন অমিত শাহ।
২.ক্ষমতায় এলে বেকার যুবক-যুবতীদের ক্ষেত্রে প্রতিমাসে ৩০০০ হাজার টাকা দেওয়া এবং এক কোটি কর্মসংস্থানের কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
৩.অপরদিকে মধ্যবিত্ত ও গরিব শ্রেণীর মহিলাদের প্রতিমাসে ৩০০০ টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
৪.রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ডিএ সুনিশ্চিত করতে সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম পে কমিশন লাগু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
৫.স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কথায়, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প দুর্নীতির কারণে যেগুলি বন্ধ আছে, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ সহ সব কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প বাংলায় চালু হবে।
৬. বাংলার সমস্ত প্রসূতি মহিলাদের জন্য হাসপাতালে সন্তান জন্ম দেওয়ার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা। নারীদের স্বাস্থ্য পরিষেবা বৃদ্ধি ও ক্যান্সারের টিকাকরণ করার কথা জানানো হয়েছে।
৭.ছয় মাসের মধ্যে বাংলায় ইউসিসি (Uniform Civil Code)
লাগু করা হবে।
৮.বাংলার সীমান্ত থেকে গরু পাচার বন্ধ করা হবে।
৯.মহিলাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ‘দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড’ নামে এক বিশেষ মহিলা ব্যাটেলিয়ান তৈরি করা হবে। পাশাপাশি রাজ্যের সমস্ত সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ করা হবে।
১০.দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধে এবং আইনশৃঙ্খলার উন্নতির জন্য তিনটি পৃথক শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে।
১১.ধান , আলু ও আম চাষে বিশেষ সরকারি সাহায্য প্রদান করা হবে। কৃষকদের জন্য ফসলের ন্যায্য মূল্য সুনিশ্চিত করা হবে।
১২.অপরদিকে রাজ্যের প্রত্যেক মৎস্যজীবীকে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা-র অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
১৩.উত্তরবঙ্গের পুরনো চা বাগানের উন্নয়ন, দার্জিলিং চায়ের বিশ্বজনীন ব্র্যান্ডিং, পাট শিল্পের আধুনিকীকরণ করা হবে।
১৪.ভারতীয় অষ্টম তফসিলে কুড়মালি ও রাজবংশী ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
১৫.একটি বিশেষ ‘বন্দে মাতরম্ সংগ্রহশালা’ তৈরি করা হবে। ধর্মচরণের স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করার জন্য আইন তৈরি হবে।