যুগবীক্ষণ ডিজিটাল নিউজ ব্যুরো
●Digital Presentation: Tista Mondal ●Graphix : Laboni De
কলকাতা,২এপ্রিল:
যদিও হনুমান জয়ন্তীর সঠিক দিনটি অজানা, প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, চৈত্র পূর্ণিমা , মঙ্গলবারকেই ভগবান হনুমানের জন্মদিন হিসেবে গণ্য করা হয়।এই বছর হনুমান জয়ন্তী ২০২৬ সালের ০২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার চৈত্র পূর্ণিমায় পালিত হবে। সংসার ও পরিবারের মঙ্গল ও কল্যাণকামনায় ,সংসারে সুখ শান্তি আর্থিক সমৃদ্ধির জন্য এই দিনটিতে উপবাস করে পূজাঅর্চনার মাধ্যমে পালন করার রীতি রয়েছে।

জ্যোতিষ মতে পবিত্র এই দিনে কিছু ধর্মীয় আচার উপাচারের ও সাত্ত্বিক বিধির পাশাপাশি কিছু ককিছু খাবার একেবারে বর্জনীয়।কী জিনিস ভুলেও খাবেন না এই দিন ! জেনে নিন।
চৈত্র পূর্ণিমা তিথিতে ভুলেও খাবেন না পেঁয়াজ, রসুন বা অন্য কোনও আমিষ খাবার৷ এই তিথিতে গ্রহণ করুন নিরামিষ সাত্ত্বিক খাবার৷ মনে করা হয় এই পুণ্যদিনে সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করলে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকে৷এই দিন ভুলেও খাবেন না চালকুমডো় এবং কুমড়ো৷ এই দুই সবজি খেলে গ্রাস করতে পারে অসুস্থতা৷ সংসারে নেমে আসতে পারে অনটন ও অশান্তির কালো ছায়া৷মাসকলাই বা কলাই ও মুসুর ডালকে মনে করা হয় তামসিক খাবার৷ চৈত্র পূর্ণিমায় হনুমান জয়ন্তীর দিন গ্রহণ করবেন না এই দুই ডাল বা তা থেকে তৈরি কোনো খাবার। এটি অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয় ৷ এই পবিত্র তিথিতে বজরংবলীর আশীর্বাদ পেতে এবং অশুভ প্রভাব এড়াতে অ্যালকোহল বা কোনো ধরণের নেশাজাতীয় দ্রব্য ভুলেও গ্রহণ করবেন না।লাল রঙের খাবার গ্রহণ থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।কারণ লাল রং মঙ্গলের প্রতীক। দিনের বেলা শুদ্ধ নিরামিষ আহার গ্রহণ করুন।অনেকে এই দিনে ব্রত বা উপবাস পালন করেন। হনুমানজিকে গুড়, ছোলা বা কলার ভোগ দেওয়া শুভ বলে মনে করা হয় ।সূর্যাস্তের পর আহার: উপবাস ভাঙলে শুদ্ধ ফল বা প্রসাদ গ্রহণ করুন । হনুমান জয়ন্তীতে নিষ্ঠাভরে পূজা করলে জীবনের নানা বাধা ও নেতিবাচকতা দূর হয় বলে অনেকের দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে।
(বি.দ্র : যুগবীক্ষণ কোনো তন্ত্র ,জ্যোতিষ ও ধর্মীয় কুসংস্কার বিশ্বাস বা প্রচার করে না বা অনুসরণ করার পরামর্শ দেয় না।কোনো ধর্মীয় বিশ্বাস বা রীতি রেওয়াজকে আঘাত করে না। এই প্রতিবেদন প্রচলিত তথ্য ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে লিখিত ও প্রচারিত)