Prepared by : Tista Mondal
Published by:Laboni De
যুগবীক্ষণ (YUGABIKSHON)
Last Updated: 05 July , 2026 :1:32 pm (IST)
যুগবীক্ষণ স্পোর্টস ডেস্ক : মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ফিফা বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬ ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়দের প্রয়োজনে সিলডেনাফিল অর্থাৎ ভায়াগ্রা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে যেটি সকলকে অবাক করেছে বৈকি!।ভায়াগ্রা সাধারণত যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিকারক ওষুধ। তবে এক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি নয়, বরং মেক্সিকো সিটির উচ্চতাজনিত শারীরিক সমস্যার প্রভাব কমানো।

রাউন্ড অব ১৬ ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়দের উচ্চতাজনিত শারীরিক সমস্যার প্রভাব কমাতে প্রয়োজনে ভায়াগ্রা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে—এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়। হ্যারি কেনা সত্যিই এটি ব্যবহার করবেন কি না, তা নিয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য নেই।
মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,২৪০ মিটার অর্থাৎ প্রায় ৭,৩৫০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।ফলে সেখানে অক্সিজেনের ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে কম। এই উচ্চতায় অক্সিজেনের ঘাটতি খেলোয়াড়দের ক্লান্তি, শ্বাসপ্রশ্বাসের চাপ এবং সহনশীলতায় প্রভাব পড়তে পারে। সেই কারণেই ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল ও মেডিক্যাল টিম বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক উপায় বিবেচনা করছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভায়াগ্রা অর্থাৎ সিলডেনাফিল উচ্চতাজনিত কিছু শারীরিক সমস্যায় ফুসফুসের রক্তচাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে। এটি বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থা (WADA)-র নিষিদ্ধ ওষুধের তালিকায় নেই। তাই নিয়ম অনুযায়ী এর ব্যবহার বৈধ। তবে বর্তমান উচ্চতায় এটি বাস্তবে কতটা কার্যকর, সে বিষয়ে সন্দেজের অবকাশ রয়েছে ।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়। হ্যারি কেনরা সত্যিই এটি ব্যবহার করবেন কি না, তা নিয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায় নি ।
অন্যদিকে, রয়টার্স এর তথ্য অনুযায়ী ইংল্যান্ড শিবির প্রকাশ্যে উচ্চতা বা পরিবেশ নিয়ে আদৌ চিন্তিত নয় বরং ম্যাচের জন্য তারা প্রস্তুত বলেই দাবি করছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইংল্যান্ড দলের খেলোয়াড়দের উচ্চতাজনিত শারীরিক সমস্যা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনে ভায়াগ্রা ব্যবহারের বিকল্প রাখা হয়েছে। রাউন্ড অব ১৬-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।চলতি বিশ্বকাপে মেক্সিকো দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেএবং এখনও পর্যন্ত চারটি ম্যাচই জিতেছে।আজতেকা স্টেডিয়ামে তাদের রেকর্ডও অবিশ্বাস্য । এই মাঠে ৮৯টি ম্যাচে মাত্র দু’বার হেরেছে।শেষবার হেরেছিল ২০১৩ সালে। তাই ইংল্যান্ড দলে তারকা খেলোয়াড়ের অভাব না থাকলেও এবং কৌশলগত দিক থেকেও তারা যথেষ্ট শক্তিশালী হলেও এই ম্যাচটি তাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ বলা যায় ।