যুগবীক্ষণ ডিজিটাল নিউজ ব্যুরো :
●Report by : Tista Mondal ●Digital Arrangement : Laboni De ●Graphix : IJMC

কলকাতা,২৫মার্চ:
এ যেন যত কান্ড রান্নার গ্যাসে ! মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে দেশ জুড়ে জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে বিগত মাসদুয়েকেরও বেশি সময় ধরে বৈকি।এমত পরিস্থিতিতে সবচেয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে ( বা সৃষ্টি করানো হয়েছে !) গৃহস্থের রান্নাস গ্যাস পাওয়া নিয়ে।কেন্দ্রীয় সরকার বারংবার আশ্বাস দেওয়া সত্বেও বিভিন্ন মহলের প্ররোচনায় আমি জনতার মধ্যে অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে রীতিমতো ,গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া নিয়ে ! পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক তা কখনোই নয়, তা পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ভৌগোলিক ও কূটনৈতিক কারণে সম্ভবও নয়।এমত পরিস্থিতিতে সরকার গৃহস্থের জ্বালানির ব্যাপক চাহিদার কথা মাথায় রেখে যোগান যাতে যথা সম্ভব ঠিক রাখা যায় তা সাধ্য মতো চেষ্টা করছে এবং তা করতে গিয়ে গ্যাস বুকিংয়ে কিছু নিয়ম কানুন আপাতত চালু করেছে।
গত মঙ্গলবার সন্ধের দিকে দেশজুড়ে হঠাৎ সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে একটি খবর৷ মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতার কারণে গৃহস্থের জন্য রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের জোগান আরও দীর্ঘায়িত করার জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র৷ সেখানে নাকি বলা হয়েছে , যে সমস্ত পরিবারের দুটি সিলিন্ডারের রেজিস্ট্রেশন রয়েছে, তাঁরা আর ২৫ দিন নয়, ৩৫ দিন পরে বুক করতে পারবেন তাঁদের পরবর্তী সিলিন্ডার৷বলা বাহুল্য , এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ৷পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের নজরেও আসে এই খবরটি! কিন্তু কিছু সংবাদমাধ্যম রি মিথ্যা অর্থাৎ ভুয়ো খবরটি ছড়ায়।
পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফ থেকে সকল দেশবাসীকে আস্বস্ত করে জানানো হয়েছে , এই দাবিগুলি ‘ভুল’ এবং পূর্ববর্তী যে নিয়ম ছিল তা-ই বহাল রয়েছে৷কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে একক হোক, কী দু’টি সিলিন্ডার, রিফিল বা বুকিংয়ের জন্য সময়সীমা পরিবর্তন করা হয়নি৷ চলতি মাসের শুরুতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে যেমন জানানো হয়েছিল, শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে সিলিন্ডার পাওয়ার ২৫ দিন এবংগ্রামাঞ্চলে সিলিন্ডার পাওয়ার ৪৫ দিন পরে পরবর্তীস সিলিন্ডার বুক করা যাবে৷
এছাড়াও কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক নাগরিকদের এলপিজি সরবরাহ ও বুকিং সংক্রান্ত নিয়মাবলি সম্পর্কে ভুল তথ্য বিশ্বাস না করতে বা না ছড়াতে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রকের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, “নাগরিকদের এই ধরনের অপপ্রচারে বিশ্বাস না করতে বা খবর না ছড়াতে এবং অপ্রয়োজনীয় বা আতঙ্কিত হয়ে এলপিজি রিফিল বুকিং এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পুনরায় জানানো হচ্ছে যে, দেশে পর্যাপ্ত এলপিজি মজুত রয়েছে এবং উদ্বেগের কোনও কারণ নেই।”
সকলকে আস্বস্ত করে জানানো হয়েছে, চাহিদা মেটানোর জন্য দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত এলপিজি মজুত রয়েছে৷