অবিশ্বাস্য সত্যি ! গঙ্গা নয় ! বাংলার অন্য কোন নদীতে এবার ঝাঁকেঝাঁকে ইলিশ ? মাছপ্রেমীদের আর চিন্তা নেই !

 দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা : কথায় আছে মাছে-ভাতে বাঙালি।আর সেই মাছ যদি হয় ইলিশ তাহলে তো আর কথাই নেই !সত্যি বাঙালির মৎস রসনার সেরা বাসা ইলিশ বৈকি ! এবার সমুদ্র নয় , বাংলার নদীতে ভাঁটা কাটিয়ে এবার দেখা দিচ্ছে ঝাঁকেঝাঁকে ইলিশ ! সমুদ্রকে ছাড়িয়ে এবার নদীতে দেখা মিলেছে রূপালী শস্য ইলিশের।

ভাগীরথী ও হুগলি নদীর অববাহিকায় মৎস্যজীবীদের জালে ধরা দিয়েছে ইলিশ। সমুদ্র থেকে বেশ কিছুটা দূরে বজবজের অছিপুরেও জাল ফেলে মৎস্যজীবীরা সন্ধান পেয়েছেন রূপালী শস্যের। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম পাড়ার তাগিদেই সমুদ্রের নোনা জল ছেড়ে মিষ্টি জলের দিকে এগিয়ে আসে ইলিশ। সুতরাং, সমুদ্র পেরিয়ে ভাগীরথী হয়ে গঙ্গায় ঢুকে পড়েছে মাছ। পূর্বে হুগলি নদী হয়ে ফারাক্কা পর্যন্ত পাওয়া যেত এই মাছ। বিগত কয়েক বছর প্রবাহতায় ভাঁটা পড়েছিল, তবে এবছর বর্ষার শুরু থেকেই নদীপথে ইলিশের সন্ধান মেলায় নতুন করে আশা দেখছেন মৎস্যজীবীরা।

কাকদ্বীপ, পাথর প্রতিমার নদীমোহনা থেকেও মিলছে ইলিশ। যদিও নদী থেকে পাওয়া মাছের পরিমাণ বেশ কম।ফলে শুধুমাত্র নদীর ইলিশ দিয়ে বাজারের বিপুল চাহিদার যোগান দেওয়া সম্ভব নয়। বৃহৎ মাত্রায় যোগানের জন্য এখনও ভরসা রাখতে হবে, ট্রলারে আসা সমুদ্রের ইলিশের প্রতিই। পরিমাণের দিক থেকে পিছিয়ে থাকলেও স্বাদে একেবারে খাসা নদীর এই টাটকা ইলিশ।

আপাতত বাজারে রূপালী শস্য তথা ইলিশ ধরাছোঁয়ার বাইরে সাধারণ মানুষের।১ কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০০ টাকারও বেশি দরে। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রামের মাছ কিনতে খরচ প্রায় ১৩০০ টাকা। যা সাধারণ মানুষের পক্ষে একেবারেই অসাধ্য সাধন!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *