যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখার্জির সক্রিয় অংশগ্রহণ ও উদ্যোগে ,অসংখ্য মানুষের সমাগমে শত শত তিরঙ্গায় মুখরিত ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি !

বিপুল জনসমাগমে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে বিধায়ক শর্বরী মুখার্জি

কলকাতা :স্বাধীনতার গর্বিত ৮০ বছরে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ ! ২০২৬ আমাদের জাতীয় সংগীত ‘বন্দেমাতরম্’-এর ১৫০তম পূর্তির বছর।সেই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে ৯ থেকে ১৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে, যা এই ঐতিহাসিক বছরটিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’- এর অংশ হিসেবে কয়েক বছর আগে থেকেই শুরু হয়েছিল ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি। দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে দেশাত্ববোধ এবং জাতীয়তা বোধের সঙ্গে নিবিড় ভাবে যুক্ত করতে এবং ভারতের স্বাধীনতায় বীর বিপ্লবীদের আত্মবলিদান এর ইতিহাসকে স্মরণ করাতে তাদেরকে শ্রদ্ধা জানাতে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছিল।তবে কেন্দ্রের এই স্বাধীনতা চেতনার এই বৃহৎ কর্মসূচি এতদিন বাংলায় বৃহৎ আকারে বাস্তবায়িত হয়নি বলেই বাংলার বর্তমান বিজেপি সরকারের দাবি।
রাজ্যে ২০২৬-এ পালাবদলের পর ডবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসতেই স্বদেশ প্রেমের এই মহৎসব রাজ্যে প্রথমবার মহাসাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে। এই প্রথম কেন্দ্রের ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতৃত্বে ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে গত ১০ আগস্ট, সোমবার কলকাতার গোষ্ঠ গোপাল সরণি থেকে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল পর্যন্ত ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই পদযাত্রার মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে যায় ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি।
রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায়- জেলায়, ২৯৪ টি বিধানসভায় মহাসাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি। স্বাধীনতা সচেতন এবং স্বদেশপ্রেমী প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানানো হচ্ছে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য। পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে প্রায় ৭০ লক্ষ জাতীয় পতাকা বিতরণের কথাও জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। প্রত্যেকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আপামর সাধারণ মানুষকে এই স্বাধীনতা উদযাপনে অংশগ্রহণের কথা জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শর্বরী মুখার্জির নেতৃত্বে স্বাধীনতা সচেতন সাধারণ মানুষের সক্রিয় যোগদান এবং উপস্থিতিতে মহা সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হলো ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি। এদিন কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের ১০১ নম্বর ওয়ার্ড সংলগ্ন পাটুলি ৪৫ বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয় এক বৃহৎ তিরাঙ্গা যাত্রা এটি শেষ হয় যাদবপুরের সুলেখাতে গিয়ে। ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে রাজ্যে এই প্রথম ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উপস্থিত সাধারণ মানুষজন যুগবীক্ষণ কে নিজেদের অনুভূতির কথা জানান এ। পাশাপাশি এদিন যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখার্জি যুগবীক্ষণ এর মুখোমুখি হয়ে সাধারণ মানুষের প্রতি গর্বের সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা উদযাপনের বার্তাও দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *