LPG গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে সরকারের বড় আপডেট ! এবার সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত বুকিংয়ের পর

কলকাতা,১৭ এপ্রিল:
বিগত কয়েকমাস ব্যাপী মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার তীব্র প্রভাব পড়েছে ভারতে গ্যাস ও জ্বালানি তেল এর ক্ষেত্রে।দেশ ব্যাপী এক আতঙ্কময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বিশেষ করে এলপিজি ,পিএনজি তথা পরিবহনে ব্যবহৃত গ্যাসের ক্ষেত্রে।এমত পরিস্থিতিতে সরকার এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও জানিয়েছে। সরকার জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয় কিছু রিপোর্ট সম্পূর্ণ ভুয়ো বলেও উল্লেখ করেছে সরকার ।যেসব রিপোর্টে বলা হয়েছে যে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে ৪-৫ বছর লাগবে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভুল বলে জানানো হয়েছে ।

সরকারী তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৮,০০,০০০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি আগেই নির্ধারিত করা হয়েছে, যা বর্তমানে ভারতের দিকে আসছে।পাশাপাশি ,সরকার দেশীয় পর্যায়ে উৎপাদন বাড়ানোর জন্যও বড় পদক্ষেপ নিয়েছে যেটি এই সংকট মেটাতে সবচেয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ বলা যায় । ৯ মার্চ জারি করা এলপিজি নিয়ন্ত্রণ আদেশের অধীনে রিফাইনারিগুলোকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে সরবরাহে ঘাটতির প্রভাব হিসেবে সারা দেশে গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডার এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সাধারণ পরিবার,হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং ছোট ব্যবসার উপরও পড়েছে।

সরকার জনগণকে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।পাশাপাশি নাগরিকদের শুধুমাত্র সরকারি ও অফিসিয়াল সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের উপরই ভরসা করার অনুরোধ জানিয়েছে। ডিস্ট্রিবিউটরের সংখ্যা ১৩,৮৯৬ থেকে বেড়ে ২৫,৬০৭ হয়েছে। এর ফলে দেশের সরবরাহ শৃঙ্খল আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে।এলপিজি সরবরাহ নিয়ে সরকার জানিয়েছে, অনলাইন বুকিং এখন প্রায় ৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে এবং ডিএসি-ভিত্তিক ডেলিভারি ৯৩ শতাংশ হয়েছে, যার ফলে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে।সরকারের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও গৃহস্থালি এলপিজি, পিএনজি এবং পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি-র সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে স্বাভাবিকই রয়েছে। বাণিজ্যিক এলপিজির ক্ষেত্রে হাসপাতাল, স্কুল এবং জরুরি শিল্পগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে।
সরকারের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও গৃহস্থালি এলপিজি, পিএনজি এবং পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি-র সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে অব্যাহত রয়েছে। বাণিজ্যিক এলপিজির ক্ষেত্রে হাসপাতাল, স্কুল এবং জরুরি শিল্পগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির ছোট সিলিন্ডারের সরবরাহ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সরকার রিফাইনারি উৎপাদন বৃদ্ধি, বুকিংয়ের মধ্যে ব্যবধান নিয়ন্ত্রণ এবং কেরোসিন ও কয়লার মতো বিকল্প জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানোর মতো পদক্ষেপও নিয়েছে। সরকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যাতে সাধারণ মানুষকে গ্যাস সরবরাহ সংক্রান্ত কোনও সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়।
সরকার গৃহস্থালিকে পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস (PNG) গ্রহণ করতে উৎসাহিত করছে, যাতে আমদানি করা এলপিজির উপর নির্ভরতা কমানো যায়। ২০২৬ সালের সূচনা পর্যন্ত দেশে প্রায় ১.৬ কোটি বাড়িতে PNG সংযোগ রয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশ কম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *