Report by : Yugabikshon Web Desk
Presented by : Tista Mondal
Graphix by: Laboni De
কলকাতা: বুধবার প্রকাশিত হল বাংলায় নয়া বিজেপি সরকারের সর্বাধিক আলোচিত , শুরু থেকেই প্রতীক্ষিত অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম।
সেই সঙ্গে যথারীতি শুরু হয়ে গেছে ১২ পাতার এই ফর্ম নিয়ে বিস্তর চর্চা ও তরজা । এই আবেদন পত্র প্রকাশের সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরেন । তৃণমূল জমানায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের যে দেড় হাজার টাকা পাওয়া যেত তা যে অনেক পুরুষই নিয়েছেন সেই তথ্য প্রমাণ-সহ তুলে ধরেন শুভেন্দু ।তা নিয়ে যথেষ্ট শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহল সহ নেটিজেনদের মধ্যেও।

১২ পাতার দীর্ঘ ফর্মে দিতে হবে পরিবারের কর্তার নাম, জন্ম তারিখ, আধার নম্বর, রেশন কার্ডের আইডি, ঠিকানা, যোগাযোগের নম্বর-সহ একাধিক তথ্য। এছাড়াও আবেদনকারীর পরিবারের সব সদস্যের নাম, পরিচয়, আধার নম্বর, আবেদনকারীর সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক তাও জানাতে বলা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবারের সব সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও আইএফএসসি কোডও দিতে বলা হচ্ছে। এছাড়াও চাওয়া হচ্ছে আরও একাধিক তথ্য।
প্রশ্ন হল কেন এই ১২ পাতার দীর্ঘ ফর্ম ? নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলছেন, “যা যা তথ্য চাওয়া হয়েছে সেগুলি আপনারা দিয়ে দিন কারণ গত ১৫ বছরে পুরুষরাও লক্ষীর ভান্ডার পেয়েছে। ওই প্রকল্প তো পুরুষদের জন্য ছিল না। এতদিন ইচ্ছে করেই সেগুলি দেখা হয়নি।” অগ্নিমিত্রা আরও বলছেন, অগ্নিমিত্রা বলছেন, “আপাতত আয়করের বিষয়টা আমরা দেখছি, আর বাকি ডেটা গুলি আমরা দেখে নিতে চাইছি ভবিষ্যতের জন্য। একবারে সব ডেটা আমরা দেখে নিতে চাইছি। আমি মা-বোনদের অনুরোধ করব আপনারা অসত্য কথা লিখবেন না। তাহলে আপনারা চিহ্নিত হয়ে যেতে পারেন। কারণ এই তথ্যের উপরেই যাচাই প্রক্রিয়া চলবে। গরিব মা বোনেরা টাকা পান সেটা আমরা চাইছি। যার কোন ইনকাম ট্যাক্স ফাইল নেই তিনি অবশ্যই টাকা পাবেন। যিনি আবেদন করছেন তার ক্ষেত্রটাই আমরা যাচাই করব।” “এতদিন সংখ্যালঘু পুরুষ ও বহিরাগতরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেত। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা থেকেই এই প্রকল্প চলে। আমরা চাই যার পাওয়া উচিত তিনি প্রকল্পের সুবিধা পান। এটাই আমরা চাই। যারা ট্যাক্স দেন তাদের কি এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া উচিত? সেটা আপনারা ভেবে দেখুন! আগের সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের সুবিধা পেতে দেয়নি, আমরা সব সুবিধা দেব।”
অগ্নিমিত্রা বলছেন, “আপাতত আয়করের বিষয়টা আমরা দেখছি, আর বাকি ডেটা গুলি আমরা দেখে নিতে চাইছি ভবিষ্যতের জন্য। একবারে সব ডেটা আমরা দেখে নিতে চাইছি। আমি মা-বোনদের অনুরোধ করব আপনারা অসত্য কথা লিখবেন না। তাহলে আপনারা চিহ্নিত হয়ে যেতে পারেন। কারণ এই তথ্যের উপরেই যাচাই প্রক্রিয়া চলবে। গরিব মা বোনেরা টাকা পান সেটা আমরা চাইছি। যার কোন ইনকাম ট্যাক্স ফাইল নেই তিনি অবশ্যই টাকা পাবেন। যিনি আবেদন করছেন তার ক্ষেত্রটাই আমরা যাচাই করব।”
ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩ জুন নবান্ন থেকে অফিশিয়ালি পাঁচ-ছয় জনকে প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার হবে। ওখান থেকেই যাত্রা শুরু বলে জানাচ্ছেন অগ্নিমিত্রা।