যুগবীক্ষণ ডিজিটাল নিউজ ব্যুরো :
Report by : Tista Mondal ●Graphix : Laboni De ●Digital Arrangement : IJMC

কলকাতা,১১ মে:
১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের অবসান ঘটিয়ে ২০২৬-এ আবারও পরিবর্তনের ডাক দিয়েছে জনতা জনার্দন। অবশেষে শ্যামাপ্রসাদের মাটিতে ২৬শে ফুটে উঠেছে পদ্মফুল। বঙ্গে প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। সুতরাং, তৃণমূল এখন রাজ্যের শাসক দলের বিরোধী দল। রাজ্যে বিজেপির প্রথম এবং পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শুভেন্দু অধিকারী শপথ গ্রহণের পরেই রাজ্য বিধানসভার পরবর্তী বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করে তৃণমূল। রাজ্যের বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে তৃণমূল বেছে নিয়েছে দলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। পাশাপাশি উপবিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের দুই মহিলা বিধায়ক অসীমা পাত্র এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়াও বিধানসভায় তৃণমূল পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে।
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা, ২০২১ সালে প্রথমে ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে এই আসনটি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে দেন তিনি। উপনির্বাচনে খড়দহ থেকে লড়ে জিতে ছিলেন। পূর্বতন মমতার মন্ত্রিসভায় কৃষি দপ্তরের দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। ২০২৬-এ বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে নিযুক্ত হয়ে সেখানেও জয়লাভ করেন শোভনদেব। বলতে গেলে ৪ঠা মে-এর ফল কারুর জন্যেই ভালো ফলাফল নিয়ে আসেনি, শোচনীয় পরাজয় দেখা গেছে প্রার্থীদের। তবে শোভনদেব এবং ফিরহাদ নিজ নিজ কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন।
অপরদিকে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকে জিততে পারেননি। শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছেন তিনি ।এবার এই দুই বর্ষীয়ান নেতার উপরেই আস্থা তৃণমূলের। ২৬-এর নির্বাচনে কলকাতা বন্দর বিধানসভা থেকে লড়ে জয়ী হয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। শোভনদেব, ফিরহাদ হাকিম ছাড়াও তৃণমূলের আরও দুই জয়ী বিধায়ককে বিধানসভায় বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ধনেখালি কেন্দ্র থেকে লড়ে জয়ী হয়েছেন অসীমা পাএ। চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই মহিলা জয়ী প্রার্থীকে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের উপনেতা করা হয়েছে।