কোথায় আঘাত পেলেন অভিষেক ! সোনারপুর থেকে সোজা এলেন বেসরকারি হাসপাতালে ! ছুটে এলেন মমতাও

কলকাতা: সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তৃণমূল সাংসদকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ডিম-জুতো৷উঠলো উচ্চ স্বরে ‘চোর’ ‘চোর’ স্লোগানও! ভোটের পর প্রথম কর্মসূচিতে বেরিয়ে ‘মার খেলেন’ অভিষেক! সূত্রের খবর,ধাক্কাধাক্কিতে মাটিতে পড়ে যান ধস্তাধস্তিতে চশমা ভেঙে যাওয়ার সময় আঘাত লেগেছ অভিষেকের৷ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে গেলেন তৃণমূল নেতা অভিষেক৷সূত্রের খবর, চশমার কাচ ভেঙে আঘাত লেগেছে তাঁর৷

ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পৌঁছেছেন অ্যাপোলো হাসপাতালে অভিষককে দেখতে৷ সঙ্গে আছেন অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ৷সূত্রের খবর, অ্যাপোলো হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ট্রিটমেন্ট শুরু করা হল। চোখের চিকিৎসা করা হচ্ছে এই মুহর্তে। এছাড়া শরীরেও বেশ কয়েকটি জায়গায় আঘাত লেগেছে বলে চিকিৎসকদেরকে জানিয়েছেন অভিষেক।চোখের ট্রিটমেন্টের পরেই বাকি শারীরিক পরীক্ষা করা হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার তীব্র নিন্দা করল তৃণমূল৷ তৃণমূলের পক্ষ থেকে পোস্টে বলা হয়, ‘‘আজ আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, এই লজ্জাহীন শাসনের অধীনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কত দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। যদি একজন বর্তমান বিরোধী দলের সাংসদকে দিনের আলোয় লক্ষ্যবস্তু করা যায়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কী ভরসা থাকে? এটাই কি বিজেপির গণতন্ত্রের ধারণা? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যে ‘সুশাসন’-এর কথা বলে চলেন, সেটাই কি তার বাস্তব চিত্র? হিংসা, ভয় দেখানো এবং রাজনৈতিক গুন্ডামি আজ বিজেপি শাসনের প্রধান পরিচয় হয়ে উঠেছে। যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তারা হয়ত আজ রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় পাচ্ছে, কিন্তু চিরকাল জবাবদিহি এড়িয়ে যেতে পারবে না। বাংলা দেখছে। ভারত দেখছে। বিশ্ব দেখছে।’’
অন্যদিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন , “বিজেপি এগুলো সমর্থন করে না। আজ বিজেপি ক্ষমতায় না এলে এখানে আমি দাঁড়িয়ে থাকতে পারতাম না৷ আমাদের বিরোধী দলনেতাকে উত্তর বঙ্গে পুরিয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল৷ মহিলাদের মাথা ন্যাড়া করে থুথু চাটানো হয়। নখ উপড়ে নেওয়া হয়৷ সেগুলো কভার করুন জানতে পারবেন৷ পুলিশ কেন আসেনি সেটা তো রাজ্য সরকার বলতে পারবে৷ যদি তৃণমূল ক্ষমতায় আসত আজকে আমি দাঁড়িয়ে থাকতাম না, পাঁচশো কর্মী খুন হতেন। আর যদি কংগ্রেস বা সিপিএম থাকত তা হলে যিনি বলছেন তিনি বিবৃতি দিতে পারতেন না। ”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *